News Publish

all

২৮ অক্টোবর ২০১৮

হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এবং নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার লার্নিং সেন্টার অব বাংলাদেশ এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

খোলা বাজার ২৪, শনিবার  ২৭ অক্টোবর ২০১৮ঃ  সম্প্রতি হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এবং নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার লার্নিং সেন্টার অব বাংলাদেশ এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিশ^বিদ্যালয়ের বোর্ডরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো: নূরুল হুদা এবং নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার লার্নিং সেন্টার অব বাংলাদেশ এর ম্যানেজার আপেল মাহমুদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আব্দুল মান্নান পিএইচডি, কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মো: মনোয়ার হোসাইন এবং প্রভাষক মো: শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিশ^বিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা সার্ভার ভিত্তিক নেটওয়াকিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ডিজাইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান তার সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বলেন, এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবার মাধ্যমে কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয় জানার পাশাপাশি তারা তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে পারবে। তিনি আরোও বলেন যে, বর্তমানে গুনগত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই তাই তিনি আশা করেন যে, নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার লার্নিং সেন্টার অব বাংলাদেশ হামদর্দ বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ফলপ্রসূ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় ও নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার লার্নিং সেন্টারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

সম্প্রতি হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ এবং নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার লার্নিং সেন্টার অব বাংলাদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।  বিশ^বিদ্যালয়ের বোর্ডরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. নূরুল হুদা এবং নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার লার্নিং সেন্টার অব বাংলাদেশের ম্যানেজার আপেল মাহমুদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক আব্দুল মান্নান পিএইচডি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহকারী অধ্যাপক মো. মনোয়ার হোসাইন এবং প্রভাষক মো. শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।  এ সমঝোতা স্মারকের আওতায় বিশ^বিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা সার্ভার ভিত্তিক নেটওয়াকিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ডিজাইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান তার সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় বলেন, এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবার মাধ্যমে কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয় জানার পাশাপাশি তারা তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে পারবে।  তিনি আরও বলেন, বর্তমানে গুণগত শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই তাই তিনি আশা করেন যে, নিউ হরাইজন্স কম্পিউটার লার্নিং সেন্টার অব বাংলাদেশ হামদর্দ বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ফলপ্রসূ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

News Link

 

 

 

কম খরচে গুণগতমানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করবে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়

স্টাফ রিপোর্টার : কম খরচে গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করবে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও মানব কল্যাণে ভূমিকা রাখাই বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যকমের আসল উদ্দেশ্য। গরীব ও মেধাবীদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থাকবে এ বিশ্বদ্যিালয়ে। চলতি বছর ১৪ মার্চ হামদর্দ বিশ্ববিদ্যায় অনুমোদন পেয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করেছে। বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, কলা ও সমাজবিজ্ঞান এবং ব্যবসায় প্রশাসন এই তিনটি অনুষদে ৭টি বিষয়ে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবে। আগামী ৮ নবেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে।  ভবিষ্যতে স্নাতক পর্যায়ে আয়ুর্বেদ ও ইউনানী বিষয়েও উচ্চ শিক্ষার সুযোগ থাকবে।

গতকাল শনিবার হামদর্দ ভবনে এক প্রেসব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, হামদর্দ ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ও হামদর্দ ল্যাবরেটরীজের (ওয়াকফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম ইউসুফ হারুন ভূঁইয়া ও বিশ্বদ্যিালযের প্রস্তাবিত ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) ড.মোহাম্মদ মশিহুজ্জামান। লিখিত বক্তব্য পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. লুৎফুর রহমান।উপস্থিত ছিলেন, প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড.সৈয়দ আকরাম হোসেন, ট্রেজারার রফিকুল ইসলাম, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালযের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. মো.রফিকুল ইসলাম ও অধ্যাপিকা শিরি ফরহাদ ও জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া রাসেল প্রমুখ। প্রেসব্রিফিং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সদস্য কাজী মনসুর উল হক।

ঢাকার অদূরে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় মেঘনা ব্রিজের পূর্বপাড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণে ফুলদি নদীর তীর ঘেঁষে ১০০ বিঘা জমিতে নির্মিত হচ্ছে নিজস্ব সুবিশাল ক্যাম্পাস। বর্তমানে অস্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে রয়েছে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও নিউটাউনে। এছাড়া সাময়িক তথ্য কেন্দ্র হিসেবে হামদর্দের প্রধান কার্যালয় থেকেও তথ্য জানা যাবে।

হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ড.হাকীম ইউসুফ হারুন ভূঁইয়া বলেছেন, প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় গুণগত মান নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য। মুনাফা করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। কম খরচে গুণগত মানসম্পন্ন উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিত করবে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়। আমরা চাই এখান থেকে শিক্ষা অর্জন করে শিক্ষার্থীরা সুনাগরিক ও সাদামনের মানুষ হবে। তারা দেশ ও সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। সেভাবেই শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা হবে।

ভিসি ড. মোহাম্মদ মশিহুউজ্জামান বলেন, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ জন্য গুণগত মান নিশ্চিত করা হবে। মুনাফা করা বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য নয়। তাই মেধাবী গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দেয়া হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত ৬ ভাগ কোটা বাড়িয়ে ১০ ভাগ করেছে কর্তৃপক্ষ। এতেই স্পষ্ট মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি যাত্রা শুরু করেছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে জবাবে ভিসি ড. মোহাম্মদ মশিহুজ্জামান বলেন, আগামী ২০ বছরের মধ্যে হামদর্দ বিশ্বিবিদ্যালয় বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষা বিস্তার, জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণায় পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সক্ষম হবো বলে আশা করা যায়। এসময়ে বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে শীর্ষস্থানে নিয়ে আসা যাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাংবাদিকদের আরেকটি প্রশ্নের জবাবে কাজী মনসুর উল হক বলেন, হামদর্দ ফাউন্ডেশন মেধার মূল্যায়ন করে থাকে। এর প্রমাণ হলো-হামদর্দ ফাউন্ডেশন পরিচালিত রাজধানীর কলাবাগানে প্রতিষ্ঠিত হামদর্দ পাবলিক কলেজ। সারাদেশের অবহেলিত ও হতদরিদ্র কিন্তু মেধাবী শিক্ষার্থীদের এখানে ভর্তি করে বিনা বেতনে থাকা-খাওয়াসহ পড়ানো হচ্ছে। এসব মেধাবীরা আগামীতে ভালো ফলাফল অর্জন করে কলেজের জন্য সুনাম বয়ে আনবে বলে তিনি জানান।

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ জুলাই, ২০১৬

ডা. এ. কে. আজাদ খানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিসের উদ্বোধন

 

হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ক্যাম্পাস

হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ক্যাম্পাসে সোমবার প্রফেসর ডা. এ. কে. আজাদ খানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের জন্য বাস সার্ভিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, হামদর্দের চিফ মোতাওয়াল্লি ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকিম মো. ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া।

হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু

আপডেট: ২০১২-১০-১৪ ৫:৫২:০৩ এএম

গরিব ও মেধাবীদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ ও গুণগতমানের শিক্ষার মাধ্যমে আদর্শ মানুষ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ।

ঢাকা: গরিব ও মেধাবীদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ ও গুণগতমানের শিক্ষার মাধ্যমে আদর্শ মানুষ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ।

শনিবার রাজধানীর হামদর্দ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম ও সার্বিক তথ্য তুলে ধরে লিখিত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লুৎফর রহমান।

এ সময় বক্তব্য রাখেন হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়-বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকিম মো. ইউছুপ হারুন ভূঁইয়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এম মশিহুজ্জামান, উপ-উপচার্য অধ্যাপক আকরাম হোসেন, ট্রেজারার রফিকুল ইসলাম, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজের সদস্য ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কাজী মনসুর-উল-হক, আনিসুল হক, অধ্যাপক শিরী ফরহাদ, জামাল উদ্দিন ভঁূইয়া, লে. কর্নেল (অব.) মাহবুবুল আলম চৌধুরী, মেজর (অব.) ইকবাল মাহমুদ প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মেঘনা ব্রিজের পূর্ব পাড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণে ফুলদি নদীর তীর ঘেঁষে ১০০ বিঘা জমির ওপর বিশাল ক্যাম্পাস নিয়ে গড়ে ওঠেছে হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দেওয়া হয় এর ডিজাইন তৈরিতে। এজন্য উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ৮২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জুরি বোর্ডের বিচারে প্রথম স্থান অধিকারি প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন বাছাই করা হয়।

হাকিম মো. ইউছুপ হারুন ভূঁইয়া বলেন, লাভের আশায় নয়, গুণগত শিক্ষার মাধ্যমে আদর্শ নাগরিক তৈরির জন্য আমরা এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি।

এখান থেকে বের হওয়া প্রতিটি ছাত্রছাত্রী দেশের সর্বোচ্চ সেবক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি, কলা ও সামাজ বিজ্ঞান এবং ব্যবসা প্রশাসন অনুষদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। এতে থাকছে ৩টি অনুষদে ৭টি বিভাগ। আগামী ৮ নভেম্বর প্রথম ব্যাচের ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৫৪৩ঘণ্টা, অক্টোবর ১৪, ২০১২